আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর প্যালেস্টাইন’ সাধারণ মানুষ, তৃণমূল পর্যায়ের আন্দোলন, মানবাধিকার সংগঠন, শ্রমিক ইউনিয়ন, সুশীল সমাজের গোষ্ঠী এবং ফিলিস্তিন-সংহতি নেটওয়ার্কগুলোর প্রতি ৯ থেকে ১১ অক্টোবর—অর্থাৎ শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত—নির্ধারিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই বিস্তৃত জোট তার সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা রাস্তাঘাট, জনসমাগমস্থল, পার্লামেন্ট, গণমাধ্যম ও ডিজিটাল পরিসরকে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের সক্রিয় ময়দানে পরিণত করে এবং ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও ইসরায়েলি দখলদারিত্ব অবসানের লক্ষ্যে জনমত ও রাজনৈতিক চাপ জোরদার করে।
এই জোট গাজায় গত তিন বছর ধরে চলা গণহত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং সামরিক অবরোধকে একটি স্বাভাবিক বা নিত্যনৈমিত্তিক বাস্তবতা হিসেবে মেনে নেওয়া বা স্বাভাবিকীকরণের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তা জোগায়—এমন সব ধরনের রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে জোটটি।
সদস্যরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের রাজনৈতিক দায়মুক্তি অবসানেরও আহ্বান জানিয়েছেন—বিশেষ করে যখন যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সরকারগুলো তাদের আনুষ্ঠানিক সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। জোটটি উল্লেখ করেছে যে, কেবল বিবৃতির মধ্যেই সংহতি সীমাবদ্ধ রাখা চলবে না; বরং রক্তপিপাসু ইসরায়েলি সরকারের সংঘটিত লঙ্ঘনগুলো বন্ধ করতে একে বাস্তব ও কার্যকর চাপে রূপান্তর করতে হবে।
চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে অব্যাহত বোমা হামলা ও আক্রমণে ১,৪৬০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে সংগঠনটি জানিয়েছে যে, গাজায় ইসরায়েলি সরকারের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। সংসদীয়, ট্রেড ইউনিয়ন এবং মানবাধিকার বিষয়ক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে ২০২৫ সালের ২৬ জুলাই লন্ডনে ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর প্যালেস্টাইন’ গঠিত হয়। ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সংগত দাবির সমর্থনে তৃণমূল পর্যায় ও আন্তর্জাতিক স্তরের প্রচেষ্টায় সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে এই জোটটি কাজ করে।
Your Comment